ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ , ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের বাম্পার ফলনে ৪০০ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১২:৫৪:৫১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১২:৫৪:৫১ অপরাহ্ন
লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের বাম্পার ফলনে ৪০০ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা ছবি : সংগৃহীত
দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ সয়াবিন উৎপাদন হয় লক্ষ্মীপুরে। এবার জেলার ৪৫ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে উৎপাদিত সয়াবিন থেকে সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলনে এমন সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি বিভাগ। তবে চাষাবাদে দেরি হওয়ায় উৎপাদিত কিছু ফসলি জমিতে কালবৈশাখীর বৃষ্টি হানা দিয়েছে।

মেঘনা নদী উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুরকে সয়াবিনের রাজধানী বলা হয়। রবি মৌসুমে জেলা সদর, রায়পুর, রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় অধিকাংশ ফসলি জমিতেই কৃষকরা সয়াবিন চাষ করেন। ধানের চেয়ে সয়াবিন চাষে কষ্ট ও খরচ কম এবং লাভও বেশি হয়। এজন্য আমন ধান কাটার পরপরই অধিকাংশ কৃষকই সয়াবিন চাষ করে থাকেন। এবার ৪৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আবাদ হয়েছে ৪৫ হাজার ৬৫ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ৯০ হাজার ১৩০ মেট্টিক টন সয়াবিন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষকদের দাবি, সয়াবিনের উৎপাদন ভালো এবং অধিকাংশ ফসল কাটা শেষ। তবে বৃষ্টিতে ক্ষতির সম্মুখীনও হতে হয়েছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকা জমির অর্ধেক ফসলেরই ক্ষতি হয়েছে। এতে কৃষকদের খরচ উঠানোই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। এরকম প্রতিবছর বৃষ্টির মুখোমুখি হতে হয় কৃষকদের।

কৃষকরা জানান, তারা জমিতে সয়াবিনের চাষ করেছেন। তবে বৃষ্টির কারণে তাদের ক্ষতি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে তারা অর্ধেক সয়াবিন তুলতে পারবেন না।

কৃষি বিভাগ বলছে প্রায় ৭০ শতাংশ জমির সয়াবিন কাটা হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে সয়াবিন কাটার পরামর্শ দিচ্ছেন। এ বছর উৎপাদিত ফসল থেকে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জহির আহমেদ বলেন, ‘লক্ষ্মীপুরের এ অঞ্চলে আমোদের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪৩ হাজার ৬০০ হেক্টর। পরিবেশ অনুকূলে থাকায় আমাদের এবছর অর্জন হয়েছে ৪৫ হাজার ৬৫ হেক্টর। প্রায় ৭০ শতাংশ সয়াবিন কাটা সম্ভব হয়েছে। এবছর আমরা ৪৫০ কোটি টাকার সয়াবিন উৎপাদন হবে বলে আমরা আশা করছি।’

ক্ষতি কাটিয়ে সয়াবিন উৎপাদন বৃদ্ধি ও ন্যায্যমূল্য পেতে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন কৃষকরা।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
 

 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ