মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য সরকারের
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
১১-০৬-২০২৬ ০৪:০২:৫১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১১-০৬-২০২৬ ০৬:৫৬:১৩ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
টানা চার বছরের উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে নতুন অর্থবছরে ৭.৫ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখার আশা করছে বিএনপি সরকার। ক্ষমতায় বসার চার মাসের মাথায় বাজেট দিতে এসে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এই লক্ষ্যের কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এই লক্ষ্য কীভাবে ধরা দেবে কিংবা সাধারণের ওপর থেকে এই বোঝা কীভাবে কমানো হবে, তার পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে বাজেট বক্তৃতায় অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের বাইরে নতুন কিছু তিনি বলেননি।
আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি আমদানি নির্ভর হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার ব্যাপক অবচিতি এবং উচ্চ বিনিময় হার দেশে মূল্যস্ফীতিতে বড় ভূমিকা রাখে। এজন্য একটি স্থিতিশীল মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা বজায় রাখতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণে জোর দেওয়া হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রিত রাখা হবে। তবে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ যাতে বিঘ্নিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হবে।
সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করা থেকে শুরু করে বাজারে অভিযান চালিয়ে জেল-জরিমানা করার মত নানা পদক্ষেপ গত চার বছরে সরকার নিয়েছে ঠিকই, কিন্তু মূল্যস্ফীতি কমেনি।
কোনো মাসে একটু কমলেও পরের মাসেই ফের চড়ে যাচ্ছে। যার উদাহরণ সবশেষ চার মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র। মূল্যস্ফীতি তখন ঘটে, যখন সময়ের সঙ্গে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। অর্থাৎ, টাকার মান কমে যায়।
এই মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করে চলেছে। পণ্যের আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে; কোনো কোনো পণ্যের আমদানি শুল্ক শূন্যও করা হয়েছে।
দেড় বছরের বেশি সময় ধরে নীতি সুদহার (পলিসি রেট বা রেপো রেট) ১০ শতাংশ। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতেই রেপো রেট বার বার বাড়ানো হয়েছে। ২০২৪ সালের অগাস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দুই মাসে তিন দফায় ১৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। কিন্তু মূল্যস্ফীতি বাগে আসছে না।
এমন প্রেক্ষাপটেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট দিলেন অর্থমন্ত্রী।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স