দেশের পুঁজিবাজারকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগনির্ভর করাই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান।
তিনি বলেছেন, “দুঃখজনকভাবে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলয়ে পরিবর্তন করতে পারেনি আমাদের পুঁজিবাজার। আমাদের ভিশন হচ্ছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে খুচরা থেকে (ফ্রন্টিয়ার বিনিয়োগকারী বাজার) থেকে এমার্জিং (উদীয়মান) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নির্ভর বাজার করতে চাই।”
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নতুন তিন কমিশনার নাহিদ মাহতাব, তানভীর হাবিব রহমান ও নাফিজ আল তারিককে নিয়ে বিএসইসি কার্যালয়ে পৌঁছান চেয়ারম্যান মাসুদ খান।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিএসইসির চেয়ারম্যান হওয়া খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এদিন সকালেই পদত্যাগ করেন। একইদিন চার কমিশনারও দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেন। এরপর দুপুরে নতুন চেয়ারম্যান ও তিন কমিশনারকে নিয়োগ দেয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
হিসাববিদ ও ঝানু করপোরেট পেশাদার থেকে বিএসইসি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়া মাসুদ খান বলেন, “অতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে না পুঁজিবাজারকে। যেখানে যতটা সম্ভব, নিয়ন্ত্রণ শিথিল করে বাজারকে প্রযুক্তি নির্ভর করা হবে।”
তিনি বলেন, “আজকের বাংলাদেশ বিশ বছর আগের বাংলাদেশের তুলনায় অনেক শক্তিশালী। আমাদের উদ্যোক্তরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন দেশে। তারা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে যাচ্ছে।”
মিউচুয়াল ফান্ড পুঁজিবাজারের অন্যতম শক্তিশালী উপকরণ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি মন্তব্য করে মাসুদ খান বলেন, “পুঁজিবাজার শক্তিশালী না হওয়ার কারণ হচ্ছে—অনেক ভালো কোম্পানি বাজারে থাকলেও তারা পুঁজিবাজরে তালিকাভুক্ত হয়নি। একটি প্রাণবন্ত ও ভালো মানের পুঁজিবাজারের জন্য দরকার ভালো মানের প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হওয়া।”
কোনো কোম্পানির ব্যাংক ঋণ ও পুঁজির দিক দিয়ে একটি সীমা অতিক্রম করলেই সেটিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে বাধ্য করা হবে বলে জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান