ঢাকা , মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ , ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​রামিসা হত্যা মামলা

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন বুধবার

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ০২-০৬-২০২৬ ০৪:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০২-০৬-২০২৬ ০৬:০৩:৩২ অপরাহ্ন
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন বুধবার ​ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলায় মোট ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে বাদী ও ভিকটিমের মা-সহ অন্য সাক্ষীরা পর্যায়ক্রমে জবানবন্দি দেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামীকাল বুধবার (৩ জুন) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ আসামিদের পক্ষে সাক্ষীদের জেরা করেন। এরপর আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামীকাল দিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্র জানায়, সোমবার (১ জুন) সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। একই দিন বিকেলে বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টায় তাকে স্বপ্না আক্তার কৌশলে নিজের রুমে নেয়। পরে রামিসাকে না পেয়ে তার মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। পরে রামিসার বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা বালতির ভেতরে দেখতে পান।

পরে পুলিশ ৯৯৯-এর মাধ্যমে ঘটনাস্থলে এসে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পরের দিন ২০ মে ভিকটিমের বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ