ঢাকা , শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ , ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোবাইল খাতে কর সংস্কার

২০৩৪ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলার রাজস্বের সম্ভাবনা

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৩-০৫-২০২৬ ০১:০৭:৪১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৩-০৫-২০২৬ ০১:০৭:৪১ অপরাহ্ন
২০৩৪ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলার রাজস্বের সম্ভাবনা ফাইল ছবি
মোবাইল সংযোগ খাতে সংস্কার আনা গেলে বাংলাদেশ আরও দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে এবং ২০৩৪ সাল নাগাদ সরকারের বার্ষিক রাজস্ব আয় স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার বাড়তে পারে। নতুন প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষণাটিতে বলা হয়, মোবাইল খাতে প্রস্তাবিত কর সংস্কারের ফলে ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণ, মোবাইল ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সারা দেশে ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ বাড়বে। এর মাধ্যমে মাথাপিছু জিডিপির বার্ষিক প্রকৃত প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭.২ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

ইউরোপভিত্তিক গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ফ্রন্টিয়ার ইকোনমিকস লিমিটেডের চলতি বছরের মে মাসে ‘বাংলাদেশ ক্যান ইনক্রিজ ইকোনমিক গ্রোথ বাই লোয়ারিং ব্যারিয়ার্স টু ডিজিটাল কানেক্টিভিটি’ শীর্ষক এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

গবেষকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন, বাংলাদেশে ডিজিটালাইজেশন আর্থিক অন্তর্ভুক্তি; শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ই-কমার্স খাতের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। উন্নত সংযোগ দেশের দীর্ঘমেয়াদি করভিত্তি ও অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

তারা উল্লেখ করেন, মোবাইল খাতে করের চাপ কমাতে নেওয়া সংস্কার ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এর ফলে সময়ের সঙ্গে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি বাড়বে এবং জাতীয় রাজস্বের আওতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

মোবাইল খাতের এই কর সংস্কারের ফলে দেশের সামগ্রিক ভোক্তা চাহিদা বাড়বে বলেও প্রতিবেদনে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা বা পেনিট্রেশন ৫ শতাংশ এবং গ্রাহকপ্রতি গড় ডেটা ব্যবহার ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিজিটালাইজেশন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে সহায়তা করে এবং কর আদায়ের সক্ষমতা বাড়ায়। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের মোট রাজস্ব আয় জিডিপির প্রায় ৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

বর্তমানে বাংলাদেশের মোবাইল খাত এ অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম উচ্চ করের বোঝা বহন করছে। খাতটির মোট আয়ের প্রায় ৫৫ শতাংশই বিভিন্ন কর ও ফি পরিশোধে ব্যয় হয়।

বর্তমান কর কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ১ শতাংশ সারচার্জ, রেভিনিউ শেয়ারিং (রাজস্ব অংশীদারিত্ব)  বাধ্যবাধকতা এবং সোশ্যাল অবলিগেশন ফান্ডে (সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল) অবদান।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ