চাঁদপুরে ‘জোড়া কিং’ দেখতে ভিড়, দাম ১৩ লাখ টাকা
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৯-০৫-২০২৬ ০৩:৫১:৩২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৯-০৫-২০২৬ ০৩:৫১:৩২ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে আলোচনায় এসেছে ‘শাহরাস্তি কিং-১’ ও ‘শাহরাস্তি কিং-২’ নামে দুটি বিশালাকৃতির ষাঁড়। ২২ মণ ও ২০ মণ ওজনের এই জোড়া গরুর দাম হাঁকা হয়েছে ১৩ লাখ টাকা। গরু দুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন ক্রেতা ও উৎসুক মানুষজন।
জানা গেছে, এক বছর আগে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বিক্রির জন্য গরু দুটি কিনে লালন-পালন শুরু করেন শাহরাস্তি উপজেলার দারুনকরা গ্রামের শাহরাস্তি এগ্রো ফার্মের মালিক মো. সাখাওয়াত হোসেন।
খামারি মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, তার খামারে উপজেলার সবচেয়ে বড় ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি ষাঁড় রয়েছে। সেগুলোর নাম রাখা হয়েছে ‘শাহরাস্তি কিং-১’ ও ‘শাহরাস্তি কিং-২’। খামার থেকে বের করে মুক্ত পরিবেশে নিলে গরু দুটি ছুটতে শুরু করে। খামারের গরুগুলোর দেখভাল ও নিরাপত্তার জন্য পাঁচজন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন। তার খামারে প্রিজিয়ান জাতের পাশাপাশি শাহীওয়াল ও গির জাতের প্রায় ১৫টি গরু রয়েছে।
তিনি জানান, গরুগুলোকে দেশীয় ঘাস, খড়, খৈল ও দানাদার খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। বাজারে পশুখাদ্যসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে। সে বিবেচনায় বাজারমূল্যের তুলনায় কম দামই চাওয়া হয়েছে। জোড়া গরুর জন্য ১৩ লাখ টাকা দাম চাওয়া হলেও ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।
খামারে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, গত এক বছর ধরে গরু দুটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিদিন দুইবার শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করানো হচ্ছে। পুষ্টি বৃদ্ধির জন্য দেশীয় ঘাসের পাশাপাশি ভুসি ও খৈল খাওয়ানো হয়। বিশাল আকৃতির এ ষাঁড় দুটি দেখতে প্রতিদিনই অনেকে খামারে ভিড় করছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জ্যোতিময় ভৌমিক জানান, এবার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ৭৫ হাজার ২৪৮টি। এর বিপরীতে প্রায় ৯ হাজার ১৫০টি পশুর ঘাটতি রয়েছে।
তিনি জানান, ঈদের আগে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা শরীয়তপুর, মুন্সিগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চল থেকে গবাদিপশু নিয়ে এলে চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। এ ছাড়া জেলায় প্রায় দুই শতাধিক পশুর হাট বসবে। শুধু হাটেই নয়, অনলাইনেও অনেক খামারি পশু কেনাবেচা করবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স