ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬ , ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন গ্রাম বিদ্যুৎহীন

বৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড গাজীপুর

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০৭-০৫-২০২৬ ০৩:৩৩:৩১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৭-০৫-২০২৬ ০৩:৩৩:৩১ অপরাহ্ন
বৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড গাজীপুর ছবি : সংগৃহীত
গাজীপুরের শ্রীপুরে ১৫ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে তিন গ্রামের বসতবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের মাঠ লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। এতে এলাকার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল সোয়া ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে ঝড়ের তাণ্ডব।

এতে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের হয়দেবপুর, জাহাঙ্গীরপুর ও ধামলই গ্রামের গাছের ডালপালা ভেঙে গেছে এবং উপড়ে পড়েছে। অনেক ঘরের চাল উড়ে গেছে, ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিদ্যুতের লাইনের। ফলে ওই তিন গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এসব গ্রামের বহু মানুষ।

দুপুরে সরেজমিন তিনটি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, অনেকের বসতবাড়ির টিনের চাল উড়ে গেছে। বহু কাঁঠাল গাছ ভেঙে মৌসুমি ফল কাঁঠালের ক্ষতি হয়েছে। ঝোড়ো বাতাসে পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। শাকসবজির ক্ষেত মাটিতে মিশে গেছে। বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শতাধিক পয়েন্ট মেইন লাইন ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে গেছে।

হয়দেবপুর গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, মাত্র ১৫ মিনিটের ঝড়ে এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে বাড়িঘর-গাছপালা ভেঙে পড়েছে সব এলাকায়। এ কারণে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসেনি।

জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদির বলেন, সকালের ১৫ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে আমার ঘরের চাল উড়ে গেছে। এতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।  মুরগির খামারি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে আমার মুরগির খামারের চাল উড়ে গেছে। আমার একমাত্র সম্বল হারিয়ে এখন আমি নিঃস্ব প্রায়।

হয়দেবপুর গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল্লাহ খান বলেন, ১৫ মিনিটের ঝড়ে তিনটি গ্রামের কমপক্ষে শতাধিক পয়েন্টে বৈদ্যুতিক সংযোগ লাইনের মেইন লাইন ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে রয়েছে। দীর্ঘ সময়ের জন্য গ্রামে বিদ্যুৎহীন থাকবে।

কাওরাইদ পল্লী বিদুৎ অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আনিছুর রহমান বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে মেইন লাইন ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে রয়েছে। ধরে নিতে পারেন দীর্ঘ সময়ের জন্য তিনটি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকবে। অনেক গাছপালা মেইন লাইনের ওপর এগুলো সরিয়ে নিতে অনেক সময়ের প্রয়োজন।

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে স্থানীয় কৃষকদের বোরোধানসহ শাকসবজির অনেক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকার জন্য মাঠকর্মীদের গ্রামে পাঠানো হয়েছে।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ