ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ , ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​সাইবার ঝুঁকি কমিয়ে নিরাপত্তা কার্যক্রম সহজ করবে ব্রোটেক্সের “আইসাইবারহান্ট”

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ০৪-০৫-২০২৬ ০২:০০:৪৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৪-০৫-২০২৬ ০২:৩৯:০৩ অপরাহ্ন
​সাইবার ঝুঁকি কমিয়ে নিরাপত্তা কার্যক্রম সহজ করবে ব্রোটেক্সের “আইসাইবারহান্ট” সেমিনার শেষে গ্রুপ ছবিতে অংশগ্রহণকারীরা। ছবি: সংগৃহীত
দেশের নাগরিকের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে তথ্য সুরক্ষায় এক অনবদ্য সলিউশন বাজারে এনেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ব্রোটেক্স টেক লিমিটেড। “আইসাইবারহান্ট” (iCyberHunt”) নামের এই সলিউশন তথ্য বেহাত হওয়া ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে প্রতিষ্ঠানটির তরফে জানানো হয়েছে।

ব্রোটেক্স বলছে, আইসাইবারহান্টকে ((iCyberHunt”) এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে সাইবার সিকিউরিটির সব ধরনের সমাধান একটি প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যায়। এখানে পরবর্তী প্রজন্মের ফায়ারওয়াল, জিরো-ট্রাস্ট, এন্ডপয়েন্ট সুরক্ষা, সিম/এক্সডিআর (SIEM/XDR) কে সমন্বয় করা হয়েছে- যা খরচ কমিয়ে সাইবার ঝুঁকি কমিয়ে নিরাপত্তা কার্যক্রম সহজ করতে সাহায্য করে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির আয়োজনে ও ব্রোটেক্সের সহযোগিতায় শনিবার (২ মে) কল্যাণপুরে অনুষ্ঠিত সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। 'ডিফেন্ডিং ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইন দ্য ডিজিটাল এরা' শীর্ষক সেমিনারে ব্রোটেক্সের সাইবার সিকিউরিটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. রেজওয়ান উল আলম এবং নেটওয়ার্ক ও সাইবার সিকিউরিটি আর্কিটেক্ট মো. শাহজাদ খান উৎস বক্তব্য রাখেন।

তাঁরা বলেন, দেশে প্রায়ই তথ্য বেহাতের ঘটনা ঘটে। সাইবার দৃষ্কৃতিকারীরা এসব তথ্য ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম করে। ব্যক্তির অজান্তেই ঘটে যায় ডিজিটাল প্রতারণা। এসব তথ্য বেহাতের ঘটনায় একদিকে যেমন প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন হয় অন্যদিকে তৈরি হয় সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় “আইসাইবারহান্ট” অনবদ্য ভূমিকা রাখবে বলে দাবি করেন ব্রোটেক্সের সাইবার সিকিউরিটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তাঁরা আরো জানান, আইসাইবারহান্টে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ফিচার অত্যাধুনিক সাইবার হামলা থেকে প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করে। এছাড়া হামলা ডিটেকশন অটোমোশন হওয়ায় প্রতিবেদন তৈরি এবং সে অনুযায়ী কমপ্লায়েন্স মেনে ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করে। 

এছাড়া বক্তারা প্রতিষ্ঠানে ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার, ভিনক (vNOC) ব্যবহারের পরামর্শ দেন। ভিনক হলো একটি এআই-চালিত ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক অপারেশনস সেন্টার, যা হাইব্রিড আইটি ও নেটওয়ার্ক পরিবেশকে রিয়েল-টাইমে মনিটরিং, সমন্বিত ভিজিবিলিটি এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা প্রদান করে। এটি এআই ব্যবহার করে ডেটা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সমস্যাগুলো আগে থেকেই শনাক্ত করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাধান (auto-remediation) সক্ষম করে, ফলে ব্যবসায়িক প্রসারের পাশাপাশি ম্যানুয়াল কাজের চাপ কমে।

ব্রোটেকস টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটিও নাহিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ দ্রুত ক্লাউড, আইওটি এবং ডিজিটাল পরিষেবা গ্রহণ করছে, কিন্তু সে তুলনায় সাইবার সিকিউরিটিতে যথেষ্ট নিরাপত্তা গড়ে ওঠেনি। আইসাইবারহান্ট এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো জিরো ট্রাস্ট নীতি গ্রহণ, রিয়েল টাইমে সাইবার হামলা সনাক্ত করা, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। আমরা বাংলাদেশের বাজারে একটি বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক, এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড সাইবার সিকিউরিটি প্ল্যাটফর্ম আনতে পেরে গর্বিত”- যোগ করেন তিনি।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির নেতৃবৃন্দ দেশের সাইবার সিকিউরিটি সক্ষমতা বাড়াতে এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ