'হাম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে'
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১২-০৪-২০২৬ ০৩:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১২-০৪-২০২৬ ০৩:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদচিত্র : ফোকাস বাংলা নিউজ
দেশে এখন পর্যন্ত হামে ২৪ এবং উপসর্গ নিয়ে ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে হাম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে রুরাল সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে হামের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশব্যাপী হাম-রুবেলা প্রতিরোধে গণটিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনসহ মোট চারটি সিটি কর্পোরেশনে রোববার থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ডা. রফিক জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হাম আক্রান্তদের মধ্যে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১৫০ জনে পৌঁছেছে।
তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের মধ্যে হাম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলও হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছি এবং দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক করেছি। সেখান থেকে প্রাপ্ত সুপারিশ সরকারকে জানানো হয়েছে।”
হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময় টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টির একটা কারণ। এ প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকার গণটিকাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে এই কর্মসূচি শুরু হয়, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে আগামী ১১ মে পর্যন্ত চলবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এ এলাকায় ৪৫০টি স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ডা. রফিকুল ইসলাম অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নিজ নিজ শিশুদের টিকা দেওয়ার মাধ্যমে এই কর্মসূচিকে সফল করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর ডা. এস এ শাফি, সহকারী পরিচালক ডা. মো. নুরুল হকসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স