নোয়াখালী জেলায় হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে রেললাইনের ওপর গাছ উপড়ে পড়ায় ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। এতে আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন দীর্ঘ সময় আটকে পড়ে যাত্রীদের দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। তবে ট্রেন চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে নোয়াখালীর মাইজদী শহরসহ জেলার বিভিন্নস্থানে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। প্রবল ঝড়ে মাইজদী কোর্ট স্টেশন এলাকার রেললাইনের ১৭৩নং পিলারের ৩, ৪, ৫ ও ৬নং অংশের কাছাকাছি একটি বড় কড়ই গাছ উপড়ে লাইনের ওপর পড়ে যায়।
এর ফলে ভোর থেকে নোয়াখালী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সকাল ৬টায় নোয়াখালী স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি হরিনারায়ণপুর এলাকায়ও গাছ পড়ে থাকায় বাধার সম্মুখীন হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাছ সরিয়ে ট্রেনটি মাইজদী কোর্ট স্টেশনে পৌঁছায়, তবে সেখানে আবারও আটকে পড়ে।রেলওয়ে কর্মী, ফায়ার সার্ভিস সদস্য ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে মাইজদী এলাকায় রেললাইন থেকে গাছ অপসারণ করা হয়। এরপর সকাল ৮টা ২০ মিনিটে সোনাপুর স্টেশন থেকে ঢাকামুখী উপকূল এক্সপ্রেস যাত্রা শুরু করে।
ট্রেনটির চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, সামনে আরও কয়েকটি স্থানে গাছ পড়ে থাকার খবর রয়েছে, ফলে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।হঠাৎ এ বিলম্বের কারণে অনেক যাত্রী বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ফলে কিছু সময়ের মধ্যে ট্রেনটি প্রায় যাত্রীশূন্য হয়ে পড়ে, যদিও অল্পসংখ্যক যাত্রী ট্রেনেই অপেক্ষা করতে থাকেন। মাইজদী কোর্ট স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কামরুজ্জামান বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে এ বিলম্ব হয়েছে। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় ট্রেন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন