ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ , ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​সংসদে অর্থমন্ত্রী

মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার, লক্ষ্য ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০৬-০৪-২০২৬ ০৮:০০:৫১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৬-০৪-২০২৬ ০৮:০০:৫১ অপরাহ্ন
মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার, লক্ষ্য ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ​ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। সোমবার (৬ এপ্রিল) সংসদে সরকারি দলের সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন (ঢাকা-১৮)-এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি ও স্পোর্টস অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য সরকার একটি নির্দিষ্ট খাত নয়, বরং বহুমাত্রিক কৌশল গ্রহণ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, উৎপাদন, রপ্তানি, প্রবাস আয়, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা—সবগুলো ক্ষেত্রকে একসঙ্গে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব কমাতে উৎপাদন, নির্মাণ, সেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে কাজের সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে। এতে পারিবারিক আয় বৃদ্ধি পাবে এবং ধীরে ধীরে মাথাপিছু আয়ও বাড়বে। বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণ সহজ করা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং উৎপাদনমুখী খাতে অর্থপ্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে নতুন কারখানা, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তায় সহজ অর্থায়ন, নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান এবং বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং নতুন আয়ের পথ তৈরি হবে। রপ্তানি বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণের জন্য রপ্তানিমুখী শিল্পে প্রণোদনা, বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার অনুসন্ধানের কাজ চলছে। একইসঙ্গে প্রবাস আয় বাড়াতে বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে উৎপাদন বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসা সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে গ্রামীণ আয় বাড়বে এবং সামগ্রিক অর্থনীতি চাঙা হবে।

তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের একটি অংশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই বাস্তবায়নাধীন রয়েছে, আর বাকি পদক্ষেপগুলো স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ