তারেক রহমান একজন ব্যতিক্রমী প্রধানমন্ত্রী: হাওলাদার
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৫-০৪-২০২৬ ০২:১৯:৩৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৫-০৪-২০২৬ ০২:১৯:৩৩ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের মুখপাত্র এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, ক্ষমতায় গিয়ে অনেকেই অতীত ভুলে যায়। কিন্তু তারেক রহমান একজন ব্যতিক্রমী প্রধানমন্ত্রী।
রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর গুলশানে একটি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে অনেকেই অতীত ভুলে যায়। কিন্তু ব্যতিক্রম দেখলাম আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। সরকার প্রধান হয়েও, তিনি অত্যন্ত সাধারণভাবে জীবন যাপন করছেন। কোন দম্ভ অহংকার তার মাঝে দেখা যাচ্ছে না। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে। কিন্তু তার চলাফেরা অত্যন্ত সাধারণ মানুষের মতো।
জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের মুখপাত্র বলেন, রাস্তায় দাঁড়িয়েও তার সঙ্গে সাধারণ মানুষ কথা বলতে পারছেন। সকাল আটটার মধ্যে অফিসে চলে যাচ্ছেন, কাজ করছেন রাত পর্যন্ত। যেটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় গণতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রধান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় রুহুল আমিন হাওলাদার আরো বলেন, আমরা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিপরিষদকে অভিনন্দন জানাই। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি চিরতরে অবসানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ সত্যিকার অর্থেই একটি প্রতিহিংসা ও জিঘাংসা মুক্ত নতুন বাংলাদেশ পাবে।
তিনি বলেন, আমরা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করব। তবে এমন কোনো সমালোচনা করা রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত হবে না, যে সমালোচনার কারণে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হলে দেশে কি পরিস্থিতি হয় সেটি ইউনুস সরকার দেখিয়ে দিয়ে গেছে।
বিগত ১৮ মাসে ইউনুস সরকার যে অপকর্মগুলো করেছে, তার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপকর্মের জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহবান জানান রুহুল আমিন হাওলাদার।
ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, কেন হামের টিকা শিশুদের দেয়া হলো না বিগত ১৭ মাস। আজকে হামের টিকা না দেয়ার কারণে অর্ধ শতাধিক শিশুকে জীবন দিতে হলো। এ শিশুমৃত্যুর দায় কোনভাবেই ড. ইউনুস সরকার এড়াতে পারে না।
এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার আরো বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। আমাদের দেশেও হয়তো জ্বালানি সংকট হতে পারে। সরকার চেষ্টা করছে জ্বালানি সংকট নিরসন করার জন্য। কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এ সময় জ্বালানি ব্যবহারে আরো সাশ্রয়ী হওয়া দরকার।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স