যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ: পল কাপুর
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০৩-০৪-২০২৬ ০৫:৫৩:৩১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৩-০৪-২০২৬ ০৮:০৫:৫০ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের দূতাবাসে বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
পল কাপুর বলেন, নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং সুশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, এই দুই রাষ্ট্রের অভিন্ন মূল্যবোধ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব উভয় দেশকেই আরও বেশি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করে তুলবে।
বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন এই মার্কিন কূটনীতিক। তার মতে, ওয়াশিংটন ও ঢাকার মধ্যে বিদ্যমান এই গভীর সম্পর্ক কেবল দুই দেশের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটেও একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত কূটনীতিক ও সুধীজনদের উদ্দেশে পল কাপুর বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত জাতীয় দিবসের এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে আমি আনন্দিত।’
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং গণতান্ত্রিক সুশাসন নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে চলমান বিভিন্ন সংকটের মাঝেও বাংলাদেশ যেভাবে নিজের অবস্থান সুসংহত রেখেছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে যে, স্বাধীনতা দিবসের এই অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে জো বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও দুই দেশ একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স