দেশে পেট্রোল পাম্প বন্ধ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৩-০৩-২০২৬ ১০:১৭:৪৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৩-০৩-২০২৬ ১০:১৭:৪৭ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় গ্রাহকদের তেল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্প মালিকরা। তবে পাম্প পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল কবির এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সাজ্জাদুল কবির জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকায় নতুন করে তেলের জন্য পে-অর্ডার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করতে পারছেন না পাম্প মালিকরা।
মজুত থাকা তেল দিয়েই বর্তমানে কাজ চালানো হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। প্রাপ্তি সাপেক্ষেই সাধারণ গ্রাহকদের তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
এর আগে রোববার (২২ মার্চ) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সারা দেশের পাম্পগুলোর অবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক।
বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছেন না। কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেলের পরিমাণ চাহিদার চেয়ে অনেক কম হওয়ায় এই দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। টানা ডিউটি করতে গিয়ে পাম্পের কর্মীরাও শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছেন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুত ছিল। অন্য একটি পাম্পে ছিল প্রায় ৮ হাজার লিটার।
স্বাভাবিক সময়ে এই মজুত কয়েক দিন চলার কথা থাকলেও অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার কারণে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়। তেলের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় অনেক পাম্প সাময়িকভাবে সেবা বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।
এদিকে, তেল সংকটের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া গেছে। অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চক্র পাম্পে এসে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে জানানো হয়, সেখানে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালীন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স