ঢাকা , শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ , ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নদীভাঙন প্রকল্প দেখতে কোম্পানীগঞ্জে যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০৭-০৩-২০২৬ ০১:১০:০৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৭-০৩-২০২৬ ০১:১০:০৬ অপরাহ্ন
নদীভাঙন প্রকল্প দেখতে কোম্পানীগঞ্জে যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী ফাইল ছবি
নদীভাঙন রোধে ছোট ফেনী নদীর ওপর প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুরে আসছেন দুই মন্ত্রী। জানা গেছে, আগামী মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টার পর বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা পরিদর্শন করবেন।

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে মুছাপুরের ২৩ ভেন্টবিশিষ্ট রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী এবং দাগনভূঁইয়া উপজেলায় ব্যাপক নদীভাঙন দেখা দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে নতুন রেগুলেটর নির্মাণে সরকার ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেলেই প্রকল্পটির কাজ দ্রুত শুরু হবে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগণ এ সময় দুই মন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে তাদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরবেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রস্তাবিত “মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পটি প্রায় ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, ২০০৫ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপকূলে অব্যাহত নদীভাঙন ঠেকাতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে নতুন ডাকাতিয়া ও পুরাতন ডাকাতিয়া-ছোট ফেনী নদীর পানি নিষ্কাশন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ১৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৩ ভেন্টবিশিষ্ট মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ শুরু হয়। ওই বছরের ৮ মার্চ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। রেগুলেটর নির্মাণ শেষে ২৩টি ভেন্টে রেডিয়াল গেট ও ফ্ল্যাপ গেট স্থাপন করা হয়। এ রেগুলেটরের পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা ছিল ৭৫৬.১৫ ঘনমিটার-সেকেন্ড এবং পানিধারণ ক্ষমতা (+৪.০০ মিটার পিডব্লিউডি)।নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস.এম. রিফাত জামিলহয়া বলেন, মন্ত্রীদ্বয় মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা ছাড়াও নদীভাঙন প্রতিরোধে চলমান বামনী ক্লোজার এবং উড়িরচর ক্রসড্যাম নির্মাণ এলাকা পরিদর্শন করবেন।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ