সামান্য বাগ্বিতণ্ডার জেরেই হত্যার পর ৭ টুকরা করা হয় : ডিএমপি
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০১-০৩-২০২৬ ০২:১২:৩৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০১-০৩-২০২৬ ০২:১২:৩৯ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
ভাষার মাসের শেষ দিনে (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার টক অব দ্য টাউন ছিল এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার। পরিচয় শনাক্ত হলেও জানা যায়নি কে বা কারা হত্যা করল তাকে। কেনই বা এই নির্মম হত্যার শিকার হতে হলো তাকে?অবশেষ আজ সেই কারণ ও ঘাতককে খুঁজে পাওয়ার খবর জানাল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ওবায়দুল্লাহকে হত্যার ঘটনায় শাহীন নামের একজনকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশ বলছে, অনৈতিক প্রস্তাব ও সামান্য কথাকাটাকাটিতে ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর সাত টুকরা করেছে তারই রুমমেট শাহীন।
রোববার (১ মার্চ) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশীদ।
তিনি জানান, ২৭ তারিখ রাতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। সাতটি অংশে খণ্ডিত করা হয়েছিল ওবায়দুল্লাহর মরদেহ। হত্যার কাজে ব্যবহৃত চাপাতি ও নিহত ব্যক্তির মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।
হত্যার কারণ জানাতে গিয়ে ডিসি হারুন উল্লেখ করেন, নিহত ওবায়দুল্লাহর রুমমেট শাহীন। জসীম উদ্দীন রোডের একটি মেসে একত্রে থাকতেন তারা। শাহীন হিরাঝিল হোটেল কর্মচারী। আর নিহত ওবায়দুল্লাহ হোমিও দোকানের কর্মচারী।
ঘটনার দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) রাতে ওবায়দুল্লাহ রুমে জোরে জোরে কথা বলছিল। তাকে আস্তে কথা বলতে বলে শাহীন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। তর্কের একপর্যায়ে রাগে ওবায়দুল্লাহকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে শাহীন। পরে ধরা পড়ার ভয়ে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সাতটি খণ্ড করে পলিথিনে করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
ডিসি হারুন আরও জানান, শাহীনকে তার হোটেল থেকে আটক করা হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স