ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ , ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​গোপালগঞ্জ-৩ আসন

এস এম জিলানীকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় জনগণ

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৬-০২-২০২৬ ০৩:০৯:০৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৬-০২-২০২৬ ০৩:০৯:০৪ অপরাহ্ন
এস এম জিলানীকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়  জনগণ ফাইল ছবি
গোপালগঞ্জ-৩(কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের জনগণ এস এম জিলানীকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের এই শীর্ষ নেতা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ নির্বাচনি এলাকা ও আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে এস এম জিলানী নির্বাচিত হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার।

তবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর, আপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁসিয়ারি উচ্চারণ করেছেন এস এম জিলানী। তিনি বলেছেন, আমার কাছে এখন সবাই সমান। আমি সকলের এমপি আমার কাছে সকলে সমান সুযোগ সুবিধা পাবে। তাঁর এই ঘোষণার পর কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ার সাধারণ জনগণ এস এম জিলানীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

কোটালীপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিয়ার হাওলাদার বলেন, আমাদের নেতা এস এম জিলানী একজন অহিংস রাজনীতিবিদ। ভোটের আগে তিনি জনগনের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন। এই দ্বারে দ্বারে যাওয়ার কারণে ভোটারগণ তাকে আপন করে নিয়েছেন। তারা বিপুল পরিমান ভোট দিয়ে এস এম জিলানীকে নির্বাচিত করেছে। তিনি আরো বলেন, বিগত সরকারের আমলে এ এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে। এই উন্নয়নের ধারা ধরে রাখার জন্য আমরা এস এম জিলানীকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। আশা করছি আমাদের সাংগঠনিক অভিবাবক তারেক রহমান জননেতা এস এম জিলানীকে মন্ত্রী হিসেবে কেবিনেটে স্থান দিবেন।

উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মান্নান শেখ বলেন, আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাটিকে ভেঙ্গে দিয়ে আমাদের প্রিয় নেতা এস এম জিলানী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।আমাদের এই নির্বাচিত হওয়ার ধারাকে ধরে রাখতে হলে এস এম জিলানীর মন্ত্রী হওয়া প্রয়োজন। উপজেলার ভট্রের বাগান গণেশ পাগল মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ লাল দাস বলেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই এস এম জিলানী আমাদের এ মন্দিরে এসে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলে। তিনি অনুষ্ঠানে এসে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। উপজেলার শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখার কথা বলেছেন।আমার চাই এরপর তিনি মন্ত্রী হয়ে এই মন্দিরে আসুক।

উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের রুথিয়ার পাড় গ্রামের সত্তোরোর্ধ করুনা বাড়ৈ বলেন, নির্বাচনের আগে এস এম জিলানী আমাদের গ্রামে এসে বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে ভোট চেয়েছেন।তিনি আমার দরজায় এসে আমাকে 'মা' বলে আমার কাছে ভোট চেয়েছেন। আমি নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়েছি।এখন আমরা আমাদের এই ছেলেটাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। এস এম জিলানী বলেন, আমি ভোট চাইতে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি।রাস্তায় বড় নির্বাচনী মিছিল দিয়ে হাত টাটা দিয়ে চলে যাইনি। ভোট প্রাপ্তির জন্য আমি প্রান্তিক মানুষের কাছে গিয়েছি। তাদের সাথে কথা বলেছি। তারা আমাকে তাদের আপন ভাই হিসেবে, ঘরের মানুষ হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে। আগামীতেও আমার এই কাজগুলো অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন, আমি আগামী দিনগুলোতে যে কোন মূল্যে এ জনপদের শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে কাজ করবো। আমার জীবনের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে এ এলাকার জনগণের পাশে থাকবো।

মন্ত্রী পরিষদে স্থান পাওয়ার বিষয়ে এস এম জিলানী বলেন, ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করছি। শত হামলা, মামলা, নির্যাতনের পরেও আদর্শ থেকে একটুও বিচ্যুত হইনি।আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক, আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান আমাকে গোপালগঞ্জ-৩ থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন দিয়েছিলেন। আমি তাঁকে জয় উপহার দিতে পেরেছি। আমার বিষয়ে তিনি আগামীতে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন আমি তা মাথা পেতে নিবো।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ