ঢাবি উপাচার্যের পদত্যাগের ঘোষণা
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১০-০২-২০২৬ ০৫:০১:৩৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১০-০২-২০২৬ ০৮:২৪:১৭ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাবির আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির প্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত, কার্যাবলি জাতির সামনে উপস্থাপন করে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ তিনি উপস্থিত হয়েছেন। তিনি উপাচার্য পদের বিষয়ে তাঁরা পরিকল্পনা জানাতে এসেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের দায়িত্ব নেওয়া প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, একটি ক্রান্তিকালীন সময়ে, খুব বিশেষ ধরনের পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের আগস্টের শেষের দিকে তিনি দায়িত্ব নেন। খুবই আপৎকালীন একটি পরিস্থিতি তখন ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল। একাডেমিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল। হলগুলো ভাসমান অবস্থায় ছিল। প্রশাসনিক কাঠামো অকেজো হয়ে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম কাজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা। এটিকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।
নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, আজ প্রায় দেড় বছর পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা (বিশ্ববিদ্যালয়) মোটামুটি একটি ভালো অবস্থানে আছেন। আপৎকালীন পরিস্থিতি, দুর্যোগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু সার্বিকভাবে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সবক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে। যে আপৎকালীন ও বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন, সে আপৎকালীন কিংবা বিশেষ পরিস্থিতি এই মুহূর্তে তাঁরা উত্তরণ করতে পেরেছেন সবার সহযোগিতায়, অংশীজনদের ভালোবাসায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘সুতরাং আমি এখন মনে করছি যে, এটি একটি দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটি ভালো পর্যায়ে এসেছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’
নিয়াজ আহমেদ খান উল্লেখ করেন, এখন এই মুহূর্তে যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন কোনো অসুবিধায় না পড়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন দরকার, সে জন্য তাঁকে যদি সরকার মনে করে, অংশীজনেরা যদি মনে করেন যে, আরও কিছু সময় এই ধারাবাহিকতার প্রশ্নে, হঠাৎ শূন্যতা যেন না হয়, সেই প্রশ্নে যদি তাঁরা কিছু সময় নিতে চায়, তিনি সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিকতার স্বার্থে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১০ আগস্ট পদত্যাগ করেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল। এরপর ২৭ আগস্ট নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. নিয়াজ আহমদ খানকে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স