ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ , ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশকে ‘অযৌক্তিক’ বলছে সম্পাদক পরিষদ

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০২-০২-২০২৬ ১১:২৩:০৬ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় : ০২-০২-২০২৬ ১১:২৩:০৬ পূর্বাহ্ন
​গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশকে ‘অযৌক্তিক’ বলছে সম্পাদক পরিষদ ফাইল ছবি
প্রস্তাবিত জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন এবং সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ। নির্বাচনের অল্প কিছুদিন আগে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশের খসড়া তড়িঘড়ি প্রকাশ করাকে অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক বলে মনে করে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের এ সংগঠন। গতকাল রোববার সম্পাদক পরিষদের পক্ষে সভাপতি নূরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ১০ মাসেও কোনো সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে এখন জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ‘জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর একটি খসড়া তৈরি করে মতামত নিতে সেটি গত বুধবার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। মতামত দিতে মাত্র তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। তার আগে মঙ্গলবার সম্প্রচার কমিশন গঠনের জন্য সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের খসড়াও প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ আলাদা দুটি কমিশন করতে চায় তথ্য মন্ত্রণালয়।

১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন। এরপর গঠিত হবে নতুন সরকার। বর্তমান সরকারের মেয়াদও শেষ পর্যায়ে। এ পরিস্থিতিতে তাড়াহুড়া করে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ উপেক্ষা করে আলাদা দুটি কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সম্পাদক পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন যখন একেবারে সন্নিকটে, তখন এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী প্রভাবসম্পন্ন খসড়া অধ্যাদেশ তড়িঘড়ি প্রকাশ করাকে সম্পাদক পরিষদ অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক মনে করে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার পেশাগত মান এবং সম্প্রচার ব্যবস্থার ভবিষ্যতের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট আইনের এমন খসড়া যথাযথ আলোচনা ও পর্যালোচনা ছাড়া প্রণয়ন করা গ্রহণযোগ্য নয়। সম্পাদক পরিষদ মনে করছে, এ খসড়া অধ্যাদেশগুলোর কাঠামো ও বিধানগুলোতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কা স্পষ্ট। এ ছাড়া সীমিত সময়ের মধ্যে মতামত আহ্বান করে আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থি।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ