মাকে নিয়ে তারেক রহমানের আবেগঘন পোস্ট
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০১-০১-২০২৬ ১২:০১:১৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০১-০১-২০২৬ ১২:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রয়াত হওয়ার পর তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও দায়িত্ববোধের বিষয়ে গভীর মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মায়ের রেখে যাওয়া পথ, আদর্শ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সামনে রেখে দেশের জন্য তার রাজনৈতিক যাত্রা অব্যাহত রাখতে চান।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
তারেক রহমান লেখেন, মায়ের অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আমার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।
তিনি আরও বলেন, অগণিত নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। লাখ লাখ মানুষ একসঙ্গে এসে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে এবং পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছে : তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না; তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।
তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহোযোগীরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এ ছাড়া যেসব দেশ সমবেদনা জানিয়েছেন, তাদেরও আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয় গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।
তিনি বলেন, পুরো বাংলাদেশই এখন আমার পরিবার হয়ে উঠেছে। এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে দেশের মানুষ আমাকে সমর্থন ও শক্তি দিচ্ছে।
মায়ের রেখে যাওয়া দায়িত্ব ও উত্তরাধিকারকে সামনে রেখে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আমার মা সারাজীবন মানুষের সেবা করেছেন। আজ তার দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার আমি গভীরভাবে অনুভব করছি। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যেখানে আমার মা থেমেছেন, সেখানে আমি সেই পথচলা এগিয়ে নেব। যারা তাকে শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত শক্তি দিয়েছে, তাদের জন্য আমি দায়বদ্ধ থাকব।
তারেক রহমান আরও লিখেছেন, আল্লাহ যেন আমার মার রুহকে শান্তি দান করেন। তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ এবং উদারতার উদাহরণ আমাদের সবাইকে দিয়েছেন, সেখান থেকেই আমরা শক্তি, ঐক্য এবং দেশপ্রেম খুঁজে পাই।
তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতাও তার কর্মজীবনের অঙ্গ, যা মায়ের আদর্শ ও নীতি অনুসরণে আরও দৃঢ় হয়েছে। তার পোস্টে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, দেশবাসী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে পাঠানো সমবেদনার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স