উপদেষ্টা রিজওয়ানা
'প্রথম আলো-ডেইলি স্টারে হামলাকারীরা গণমাধ্যম ও সরকারের প্রতিপক্ষ'
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৭-১২-২০২৫ ০৭:২২:৫৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৭-১২-২০২৫ ০৭:২৩:৪১ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা গণমাধ্যমের প্রতিপক্ষ হওয়ার পাশাপাশি সরকারেরও প্রতিপক্ষ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) ষষ্ঠ সম্প্রচার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘মতপার্থক্য থাকলে আলাদা পত্রিকা গড়ে তোলা যায়, গণমাধ্যমে আগুন দিয়ে সমস্যা সমাধান হয় না। ভয় দেখানোর কাজ যারা করে, তারা আমাদের অভিন্ন প্রতিপক্ষ। একে অপরকে প্রতিপক্ষ ধরে রাখলে লড়াই সম্ভব নয়।’
হামলা ঠেকাতে সরকারের তৎপরতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রোঅ্যাকটিভ হওয়া প্রয়োজন ছিল। গণমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আমরাও ক্ষতির মুখে পড়েছি, সেটা আমরা বুঝি।’
এ ছাড়া তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও যমুনা টিভির ভূমিকা তুলে ধরেন। দেড় মাসের দায়িত্বকাল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সময়ে সম্প্রচার কমিশন ও প্রেস কমিশন অধ্যাদেশ জারি এবং তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
অনুষ্ঠানে সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর অভিযোগ করেন, সরকারের কোনো অংশ প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ও ছায়ানট ভবনে হামলা-ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনা ঘটতে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কামাল আহমেদ, সারা হোসেন, খায়রুল আনোয়ার, ফাহিম আহমেদ, মো. আল মামুন, তালাত মামুন, ইলিয়াস হোসেন ও মিল্টন আনোয়ার।
গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। ঘটনাস্থলে গিয়ে হেনস্তার শিকার হন নূরুল কবীর। এ হামলাকে গণমাধ্যমকর্মীরা ‘কালো দিন’ উল্লেখ করে দেশের বিভিন্ন মহল নিন্দা জানাচ্ছে। বিজেসির সম্মেলনেও ওই হামলার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স