ঢাকা , মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ , ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শান্তিরক্ষী সবুজের মরদেহ গাইবান্ধায়, সামরিক মর্যাদায় দাফনের প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২১-১২-২০২৫ ০৪:৪০:০৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২১-১২-২০২৫ ০৪:৪০:০৩ অপরাহ্ন
শান্তিরক্ষী সবুজের মরদেহ গাইবান্ধায়, সামরিক মর্যাদায় দাফনের প্রস্তুতি ​সংবাদচিত্র : ফোকাস বাংলা নিউজ
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী মো. সবুজ মিয়ার মরদেহ রোববার (২১ ডিসেম্বর) গাইবান্ধায় এসেছে। দুপুর ২টার দিকে তাঁকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টারটি গাইবান্ধা হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। সবুজের কফিন গাইবান্ধায় সেনা সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মণ্ডলের মরদেহ নিয়ে হেলিকপ্টারটি কুড়িগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। গাইবান্ধায় সবুজের মরদেহ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন আলভী।
 
মো. সবুজ মিয়া গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট ভগবানপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত হাবিদুল ইসলামের ছেলে।
 
সবুজের মরদেহ গ্রহণ করে ক্যাপ্টেন আলভী গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, যথাযথ সামরিক মর্যাদায় নিহত সবুজ মিয়ার গ্রামের বাড়িতে তাঁর দাফন সম্পন্ন করার সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
 
এর আগে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। এ ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লন্ড্রি কর্মচারী গাইবান্ধার মো. সবুজ মিয়াসহ ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও ৯ জন আহত হন।
 
নিহত শান্তিরক্ষীরা হলেন নাটোরের করপোরাল মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মণ্ডল, রাজবাড়ীর সৈনিক শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও গাইবান্ধার লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া।
 
আইএসপিআর বলছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হলেও বাংলাদেশ এতে যুক্ত হয় ১৯৮৮ সালে। ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক মিশনে ১৫ জন সদস্য পাঠানোর মাধ্যমে এ যাত্রার সূচনা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ১০টি দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছে। প্রথমবারের মতো ডিআর কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে।
 
শুরু থেকে এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৬৮ জন সদস্য প্রাণ দিয়েছেন।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ