দুটি বাল্ব, একটি ফ্যান ও একটি ফ্রিজ- বিদ্যুৎ বিল ৩ লক্ষাধিক টাকা!
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৩-০৮-২০২৫ ০৪:২৫:২৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৩-০৮-২০২৫ ০৪:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। সারা দেশেই কম-বেশি এমন অভিযোগ রয়েছে। তবে কাথাও কোথাও সেটি মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। যেমনটি ঘটেছে বাগেরহাটের ফকিরহাটে অপূর্ব কুণ্ডু নামের এক চা দোকানির ক্ষেত্রে। তার এক মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। অনাকাঙ্ক্ষিত এ বিল হাতে পেয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছেন তিনি। শুধু অপূর্ব কুণ্ডু নন, অনেক গ্রাহকের নামে এমন ‘ভুতুড়ে’ বিল করার অভিযোগ উঠেছে ফকিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফকিরহাট উপজেলার লখপুর বাজারে একটি ছোট চায়ের দোকান পরিচালনা করেন অপূর্ব কুণ্ডু ও তার স্ত্রী তপতী রানী কুণ্ডু। তাদের দোকানে মাত্র দুটি বাল্ব, একটি ফ্যান ও একটি ফ্রিজ আছে। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতি মাসে দোকানের বিদ্যুৎ বিল আসে ২৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। কিন্তু, চলতি মাসে হঠাৎ করে বিল এসেছে ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। গত মাসেও অতিরিক্ত বিল দেখানো হয়েছিল ১ হাজার ৮৭৬ টাকা, যা পরে সংশোধন করে ৩১৬ টাকা করা হয়।
চা দোকানি অপূর্ব কুণ্ডু বলেছেন, এতদিন ধরে নিয়মিত বিল দিচ্ছি। কিন্তু, গত দুই মাস ধরে বারবার অতিরিক্ত বিল আসছে। এবারের বিল হাতে পেয়ে পরিবারের সবাই হতবাক হয়ে গেছি। আমরা চাই, ভবিষ্যতে যেন আর এ ধরনের ভুল না হয়।
এ বিষয়ে বাগেরহাট ফকিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আনন্দ কুমার কুণ্ডু বলেছেন, বিলিং সহকারীর ভুলের কারণে এ ধরনের বিল তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে বিলটি সংশোধন করে ৩১০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়ী বিলিং সহকারীকে শোকজ করা হয়েছে।
এর আগেও বাগেরহাটে এমন ভুতুড়ে বিল করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সদর উপজেলার বৈটপুর গ্রামের চা দোকানি তাইজুল ইসলামের নামে ১৩ লাখ ৮৭ হাজার ১৯৭ টাকার বিল করা হয়েছিল। পরে তার প্রকৃত বিল নির্ধারণ করা হয় মাত্র ১৬২ টাকা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচআর/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স