কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে রাতের আঁধারে বৈদ্যুতিক ও ট্রান্সফরমারের তার চুরির হিড়িক পড়েছে। পল্লী বিদ্যুতের নিয়ম অনুযায়ী চুরি হওয়া ট্রান্সফারমার প্রতিস্থাপনে করতে হলে গ্রাহকদেরকে ট্রান্সফরমারের নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেক টাকা জমা দিয়ে সংযোগ নিতে হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত এক মাসে উপজেলার লৎসর, ঠেংগারবাম ও খানাতুয়ায় পরপর তিনটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ লৎসর গ্রামে তার চুরির কারণে উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার ও লৎসর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ে ফান্ড না থাকলেও প্রতিষ্ঠান দুটিকে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা গচ্চা দিয়ে সংযোগ সচল করতে হচ্ছে।
এদিকে সংঘবদ্ধ ওই চোর চক্র রাতের আঁধারে খুঁটি থেকে মূল্যবান তামার তার ও যন্ত্রাংশ চুরি করায় লাখ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গ্রাহকরা।
লৎসর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘স্কুলের ফান্ডে কোনো টাকা জমা নেই। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের চিঠি দিয়েছে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেক টাকা দেওয়ার জন্য। কিন্তু এই টাকা স্কুলের পক্ষে বহন করা সম্ভব না।’
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ মনোহরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম এ কে এম আজাদ বলেন, ‘চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন করতে হলে গ্রাহকদের অর্ধেক টাকা জমা দিয়ে সংযোগ নিতে হয়। দ্বিতীয়বার চুরি হলে সম্পূর্ণ খরচ গ্রাহকদের বহন করতে হবে। চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার গুলোর বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’
মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহমেদ বলেন, সংঘবদ্ধ ওই চোর চক্রকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগির চোরদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত এক মাসে উপজেলার লৎসর, ঠেংগারবাম ও খানাতুয়ায় পরপর তিনটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ লৎসর গ্রামে তার চুরির কারণে উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার ও লৎসর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ে ফান্ড না থাকলেও প্রতিষ্ঠান দুটিকে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা গচ্চা দিয়ে সংযোগ সচল করতে হচ্ছে।
এদিকে সংঘবদ্ধ ওই চোর চক্র রাতের আঁধারে খুঁটি থেকে মূল্যবান তামার তার ও যন্ত্রাংশ চুরি করায় লাখ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গ্রাহকরা।
লৎসর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘স্কুলের ফান্ডে কোনো টাকা জমা নেই। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের চিঠি দিয়েছে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেক টাকা দেওয়ার জন্য। কিন্তু এই টাকা স্কুলের পক্ষে বহন করা সম্ভব না।’
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ মনোহরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম এ কে এম আজাদ বলেন, ‘চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন করতে হলে গ্রাহকদের অর্ধেক টাকা জমা দিয়ে সংযোগ নিতে হয়। দ্বিতীয়বার চুরি হলে সম্পূর্ণ খরচ গ্রাহকদের বহন করতে হবে। চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার গুলোর বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’
মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহমেদ বলেন, সংঘবদ্ধ ওই চোর চক্রকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগির চোরদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন