পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নে বজ্রাঘাতে নিহত ৬ শিশু ও কিশোরের জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে। নিহত ৬ জনকেই একই কবরস্থানে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মালঞ্চি ইউনিয়নের মহাদেবপুর কবরস্থান মাঠে নিহতদের একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতি বিলের মধ্যে বজ্রাঘাতে তারা নিহত হন। নিহতরা হলো মালঞ্চির ভাই ভাই মোড় এলাকার শাহাবুলের ছেলে আব্দুল্লাহ (২১), নলমুড়া গ্রামের ইসমাইল মোল্লার ছেলে রব্বেল (২২), গজমতি গ্রামের রবিউলের ছেলে শাওন (২২), নলমুরা গ্রামের শাহজাহানের ছেলে মিজান (১২) একই গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাজিদ (১০) ও ইবাদুলের ছেলে ইমন (১৪)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওই বিলে মাছ মারতে গিয়েছিল। বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে ৮ জন বিলের একটি টং ঘরে আশ্রয় নেয়। এই সময় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং দুজন গুরুতর আহত হয়। তারা বেশ কিছুক্ষণ টংঘরেই পড়েছিল।
সন্ধ্যার দিকে আশপাশে এলাকার মানুষ টের পেয়ে নিহতের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা জানিয়েছেন, নিহতদের জানাজা সম্পূর্ণ হয়েছে। তাদের বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের পরিবারকে দাফন ও জরুরি সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রত্যেক পরিবারের হাতে ২৫ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক স্যার নিজে উপস্থিত থেকে এ অনুদান তুলে দেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মালঞ্চি ইউনিয়নের মহাদেবপুর কবরস্থান মাঠে নিহতদের একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতি বিলের মধ্যে বজ্রাঘাতে তারা নিহত হন। নিহতরা হলো মালঞ্চির ভাই ভাই মোড় এলাকার শাহাবুলের ছেলে আব্দুল্লাহ (২১), নলমুড়া গ্রামের ইসমাইল মোল্লার ছেলে রব্বেল (২২), গজমতি গ্রামের রবিউলের ছেলে শাওন (২২), নলমুরা গ্রামের শাহজাহানের ছেলে মিজান (১২) একই গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাজিদ (১০) ও ইবাদুলের ছেলে ইমন (১৪)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওই বিলে মাছ মারতে গিয়েছিল। বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে ৮ জন বিলের একটি টং ঘরে আশ্রয় নেয়। এই সময় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং দুজন গুরুতর আহত হয়। তারা বেশ কিছুক্ষণ টংঘরেই পড়েছিল।
সন্ধ্যার দিকে আশপাশে এলাকার মানুষ টের পেয়ে নিহতের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা জানিয়েছেন, নিহতদের জানাজা সম্পূর্ণ হয়েছে। তাদের বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের পরিবারকে দাফন ও জরুরি সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রত্যেক পরিবারের হাতে ২৫ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক স্যার নিজে উপস্থিত থেকে এ অনুদান তুলে দেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন