​এটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ

আপলোড সময় : ২৪-১০-২০২৬ ০৫:২১:১৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-১০-২০২৬ ০৫:২২:২২ অপরাহ্ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে থাকছেন না টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী। তাকে ঢাকায় রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকারপ্রধানের সফরের ঠিক আগে রাষ্ট্রদূতকে সেখান থেকে সরানোকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য ক‌রে‌ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপে এক অনুষ্ঠান শে‌ষে সাংবা‌দি‌কের কা‌ছে এ অ‌ভিমত ব্যক্ত ক‌রেন তি‌নি।

শামা ওবায়েদ বলেন, এটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়।  কখন কোন রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠাবে সেটা মন্ত্রণালয়ের একান্তই নিজস্ব সিদ্ধান্ত। এটা কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয় না। এটা একটা স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিওর। 

প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপানে সরকারি সফর করবেন তারেক রহমান। জাপান সফর নতুন বিনিয়োগ তৈরি করবে বলে প্রত‌্যাশা ক‌রেন প্রতিমন্ত্রী।

আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (কপ৩১) সামনে রেখে দেশের ৩৩টি নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ সংলাপ ও জাতীয় অবস্থানপত্র প্রকাশের আয়োজন করা হয়। 

ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন,জলবায়ু অর্থায়নে আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি ও প্রাপ্তির ব্যবধান ক্রমশ বাড়ছে। কপ সম্মেলনে বাংলাদেশের ভূমিকা ও দর-কষাকষি আরও জোরালো করার জন্য সমন্বয় বাড়তে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কেবল তহবিলের জন্য দর-কষাকষি নয়, বরং গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নেতৃত্বের অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

আন্তালিয়ার কপ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমত, জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট তহবিল, বিশেষ করে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের অর্থপ্রাপ্তি সহজ করা, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড চালু করা, কৃষি ও পানির নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প গ্রহণে কারিগরি সহায়তা দিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ও মানুষের জন্য তহবিলের অর্থপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। এই সহায়তা মূলত অনুদান হিসেবে আসতে হবে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ঋণের বোঝা আরও না বাড়ে। পাশাপাশি জলবায়ু প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে হবে।

বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান আধা শতাংশেরও কম হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন এর ভয়াবহ প্রভাব মোকাবেলা করতে হচ্ছে বলে তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

আন্তালিয়া সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের মানুষের দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র ও সম্মিলিত কণ্ঠ জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান শামা ওবায়েদ।

নাগরিক সমাজের প্রকাশিত অবস্থানপত্রের সুপারিশগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে কপ সম্মেলনের আলোচনার কৌশল চূড়ান্ত করার সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবিরের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় সংলাপে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :