নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে আড়াইহাজার থানার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহির ফকিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার চরহোগলা গ্রামে নিজ ফার্মেসি থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। জহির কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খরিয়ারচর গ্রামের আবদুর রহমান মাতব্বরের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে ২০-২৫ জন লোক তাকে কুপিয়ে জখম করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহতের ভাগ্নে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেন জানান, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় মোবারক হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর আগেও কয়েকবার মোবারক তার লোকজন নিয়ে জহিরের ওপর হামলা করে। আড়াইহাজার থেকে মোবারক ও তার লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাতে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান (ফার্মেসি) থেকে বাসায় যাওয়ার পথে জহিরকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার চরহোগলা গ্রামে নিজ ফার্মেসি থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। জহির কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খরিয়ারচর গ্রামের আবদুর রহমান মাতব্বরের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে ২০-২৫ জন লোক তাকে কুপিয়ে জখম করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহতের ভাগ্নে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেন জানান, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় মোবারক হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর আগেও কয়েকবার মোবারক তার লোকজন নিয়ে জহিরের ওপর হামলা করে। আড়াইহাজার থেকে মোবারক ও তার লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাতে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান (ফার্মেসি) থেকে বাসায় যাওয়ার পথে জহিরকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন