সরকারের ইতিবাচক পরিবর্তন ও অর্জন আড়াল করতেই বিরোধীদল লংমার্চ কর্মসূচি নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিরোধীদল চাইলে তাদের বক্তব্য সংসদে তুলে ধরতে পারত। কিন্তু বাইরে তারা যে ভাষায় বক্তব্য দিচ্ছে, তা সভ্য ভাষা নয়। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা না করে বিরোধীদল রাজপথে নেমেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তাঁর দাবি, সরকারের বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ থাকলেও বিরোধীদল তা দিচ্ছে না। দায়িত্বশীল বক্তব্যের পরিবর্তে তারা রাজপথের যুদ্ধে নেমেছে এবং সরকারের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য বক্তব্য দেওয়া ব্যক্তিদেরও সমর্থন করছে।
রিজভী বলেন, সরকারপ্রধান ও সরকারের বিরুদ্ধে এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সমাজে ব্যবহার করা যায় না।
বিরোধীদলের উদ্দেশে তিনি বলেন, সভা-সমাবেশ করে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা যেতে পারে। তবে গণতন্ত্রকে বিনষ্ট করার কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত নয়।
রিজভীর দাবি, দেশের রিজার্ভ এখন আড়াই গুণ বেড়েছে। সরকারের ইতিবাচক পরিবর্তন ও অর্জনগুলো আড়াল করতেই বিরোধীদল লংমার্চ কর্মসূচি নিয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিরোধীদল চাইলে তাদের বক্তব্য সংসদে তুলে ধরতে পারত। কিন্তু বাইরে তারা যে ভাষায় বক্তব্য দিচ্ছে, তা সভ্য ভাষা নয়। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা না করে বিরোধীদল রাজপথে নেমেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তাঁর দাবি, সরকারের বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ থাকলেও বিরোধীদল তা দিচ্ছে না। দায়িত্বশীল বক্তব্যের পরিবর্তে তারা রাজপথের যুদ্ধে নেমেছে এবং সরকারের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য বক্তব্য দেওয়া ব্যক্তিদেরও সমর্থন করছে।
রিজভী বলেন, সরকারপ্রধান ও সরকারের বিরুদ্ধে এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সমাজে ব্যবহার করা যায় না।
বিরোধীদলের উদ্দেশে তিনি বলেন, সভা-সমাবেশ করে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা যেতে পারে। তবে গণতন্ত্রকে বিনষ্ট করার কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত নয়।
রিজভীর দাবি, দেশের রিজার্ভ এখন আড়াই গুণ বেড়েছে। সরকারের ইতিবাচক পরিবর্তন ও অর্জনগুলো আড়াল করতেই বিরোধীদল লংমার্চ কর্মসূচি নিয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে