কারিগরি ত্রুটির কারণে ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কেন্দ্রটি থেকে প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, যা দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে।
পিডিবি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাতে আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে ইউনিটটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ত্রুটি মেরামত করে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।
গত কয়েক দিন ধরে আদানি পাওয়ার থেকে গড়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে উৎপাদন কমে ৭৫০ থেকে ৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
ভারতে নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ মোট ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে। কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় ২০২৩ সালের মার্চে এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয় একই বছরের জুনে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
পিডিবি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাতে আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে ইউনিটটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ত্রুটি মেরামত করে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।
গত কয়েক দিন ধরে আদানি পাওয়ার থেকে গড়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে উৎপাদন কমে ৭৫০ থেকে ৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
ভারতে নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ মোট ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে। কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় ২০২৩ সালের মার্চে এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয় একই বছরের জুনে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে